বৃহস্পতিবার, ৩ জুন, ২০২১

শাক্ত পদাবলী অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

 

বাংলা অনার্স শাক্ত পদাবলী অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর Bengali honours shakto podaboli oti songkhipto questions answer


                     প্রশ্নের মান - ১/২



১। শাক্ত পদাবলী কাকে বলে ?


উত্তর:- মহাকালী কে নিয়ে যে সমস্ত পদ বা পদাবলী মধ্য যুগে রচিত হয়েছে সেগুলিকে শাক্ত পদাবলী বলে ।


২। শাক্ত পদাবলী কে কয় ভাগে ভাগ করা হয় ও কী কী ?


উত্তর:- শাক্ত পদাবলী কে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয় । ক) উমা সঙ্গীত , খ) শ্যামা সঙ্গীত । 


৩। শাক্ত পদাবলী কোন শতাব্দীর। সাহিত্য ?


উত্তর:- শাক্ত পদাবলী অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ। শতাব্দীর। সাহিত্য।।


৪। শাক্ত পদাবলী সূচনা করেন কে ?


উত্তর:- শক্তি সাধক রামপ্রসাদ সেন শাক্ত পদাবলীর সূচনা করেন ।


৫। শাক্ত পদাবলীতে কোন অলংকারের প্রাধান্য বেশি ?


উত্তর:- রুপক অলংকারের ।


৬। আগমনী পর্যায় কে কয় ভাগে ভাগ করা হয় ও কী কী ?


উত্তর:- দুই ভাগে । ক) পূর্ব আগমনী , খ) উত্তর আগমনী ।


৭। " যদি এসে মৃত্যুঞ্জয় উমা নেবার কথা কয় "।  কার অপর নাম মৃত্যুঞ্জয় এবং কেন ?


উত্তর:- শিবের অপর নাম মৃত্যুঞ্জয় । তিনি মৃত্যু জয় করেছেন বলেই তিনি মৃত্যুঞ্জয় ।


৮। শাক্ত পদাবলীর মূল রস কি ? ইহা কয় প্রকার ?


উত্তর:- শাক্ত পদাবলীর মূল রস বাৎসল্য । ইহা তিন প্রকার - ক) বাৎসল্য , খ) মিলন বাৎসল্য , বিরহ বাৎসল্য ।


৯। ভারতের " শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য " কার লেখা ?


উত্তর:- শশীভূষণ দাশগুপ্তের লেখা  ।


১০। শাক্ত পদাবলীতে তিনটি পদ লক্ষ্য করা যায় কি কি ?


উত্তর:- শাক্ত পদাবলীর তিনটি গুন হল - সত্ত , রজ , তম ।


১১। শাক্ত পদাবলী তে রচিত প্রধান প্রধান চরিত্র গুলি কী কী ?


উত্তর:- উমা , মেনকা , ও গিরিরাজ হিমালয় ।


১২। উমার জন্য মেনকার উদ্বেগের দুটি কারণ নির্দেশ করো ?


উত্তর:- ক) উমার স্বামী শ্মশানে মশানে ফিরে ঘরের ভাবনা ভাবে না ।


খ) শিবের নাইকো পিতামাতা , কারে কইবে দুঃখের কথা ।


১৩। শাক্ত পদাবলীর প্রথম সার্থক সংকলন করেন কে ? কোথা থেকে সংকলন টি প্রকাশিত হয় ?


উত্তর:- শাক্ত পদাবলীর প্রথম সার্থক

 সংকলন করেন অমরেন্দ্রনাথ রাত ।

সংকলন টি প্রকাশিত হয় কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ।


১৪। " মশান " শব্দটির অর্থ কী ?


উত্তর:- মশান শব্দটির অর্থ সমাধিস্থান বধ্যভূমি ।


১৫। শাক্ত পদাবলী কে অন্য কি নাম দেওয়া হয়েছে ?


উত্তর:- শাক্ত পদাবলীকে কেউ কেউ " মালসী " গান বলেছেন কেউ আবার " প্রার্থনা সঙ্গীত "ও বলেছেন ।


১৬।  " কাল সপনে শংকরি মুখ হেরি কি আনন্দ আমরা " পদটি কার কোন পর্যায়ের পদ ?


উত্তর:- পদটি কমলাকান্ত ভট্টাচার্যের। আগমনী পর্যায়ের পদ ।


১৭। " গিরিরাজ ভিখারী যে শূলপানী , তারে দিয়ে নন্দিনী "  - এ খানে নন্দিনী কে ? কেন তার নাম নন্দিনী ?


উত্তর:- এখানে নন্দিনী বলতে উমা কে বোঝানো হয়েছে । আনন্দদায়িনি বলে কন্যা উমার আর এক নাম নন্দিনী ।


১৮। " ভিখারী যে শূলপানী " - কাকে কেন শূলপানী বলা হয় ?


উত্তর:- শিবের হাতে ত্রিশূল থাকে তাই শিব কে শূলপানী বলা হয় ।


১৯। রামপ্রসাদ ছাড়াও অষ্টাদশ শতাব্দীর কোন কবি শাক্ত পদাবলী রচনায় । কৃতিত্ব দেখিয়েছেন ?


উত্তর:-  রামপ্রসাদ ছাড়াও অষ্টাদশ শতাব্দীর কবি কমলাকান্ত ভট্টাচার্য শাক্ত পদাবলী রচনায় কৃতিত্ব দেখিয়েছেন ।


২০। " নীলকান্ত আদি করি কত রত্ন শোভা করে " - নীলকান্ত কী ?


উত্তর:- নীলকান্ত হল এক জাতীয় দুর্লভ মনিবিশেষ এই মনি ইন্দ্রনীল মনি নামে বিখ্যাত ।


২১। বিজয়া কাকে বলে ?


উত্তর:- অগমনী অনিবার্য ও সম্ভাব্য পরিণতি হল বিজয়া । দশমীর। প্রভাতে প্রীতিগৃহ অন্ধকার করে মেনকা কে শোক সাগরে নিক্ষিপ্ত করে উমা আবার পতিগৃহে যাত্রা করলেন ।


২২। আগমনী ও বিজয়া পর্যায়ে মেনকা কার কার প্রতি ক্ষোভ ও অভিযোগ জানিয়েছেন ?


উত্তর:-  আগমনী ও বিজয়া পর্যায়ে মেনকা স্বামী গিরিরাজ , জামাতা শঙ্কর আর অদৃষ্ট কে ক্ষোভ এবং অভিযোগ জানিয়েছেন ।


২৩। মেনকার কাছে মিষ্টতম কী ?


উত্তর:- মেনকার কাছে মিষ্টতম হল কন্যা উমার  কণ্ঠস্বর ।


২৪। শাক্ত পদাবলীর কোন পর্যায়ের পদে গীতিকাব্যের লক্ষণ ফুটে উঠেছে ?


উত্তর:- শাক্ত পদাবলীর " ভক্তের আকুতি " পর্যায়ের পদে গীতিকাব্যের লক্ষণ ফুটে উঠেছে ।


২৫। ভক্তের আকুতি পর্যায়ের শ্রেষ্ট পদকর্তা কে ?


উত্তর:- ভক্তের আকুতি পর্যায়ের শ্রেষ্ট পদকর্তা রামপ্রসাদ সেন ।


২৬। " মা আমায় ঘুরাবি কত "। - পদ টি কার লেখা ? কোন পর্যায়ের পদ ?


উত্তর:- পদটি রাম প্রসাদ সেনের লেখা । 


ভক্তের আকুতি পর্যায়ের পদ ।



২৭। " ভবের গাছে বেঁধে দিয়ে যা , পাক দিতেছ অবিরত " - ভবের গাছ কী ? পাক দেওয়ার অর্থ কী ?


উত্তর:- ভবের গাছ বলা হয়েছে সংসার কে ।


ঘানীতে বলদ কে বেঁধে দিয়ে কলু যেমন পাক দেয় , তেমনি জগজ্জননী সংসারে বেঁধে দিয়ে পদ কারকে যেন পাক দিচ্ছেন ।


২৮। কোন পর্যায়ের পদে মামলা মোকদ্দমার প্রসঙ্গ আছে ?


উত্তর:- ভক্তের আকুতি পর্যায়ের " মা গো তারা ও সংকরী " পদটিতে মামলা মোকদ্দমার প্রসঙ্গ আছে ।


২৯। পাশা খেলায় কোন কোন দান কে সৌভাগ্যসূচক মনে করা হয় ?


উত্তর:- পাশা খেলায় আঠারো  , ষোলো ও বারো র দান কে সৌভাগ্যসূচক মনে করা হয় ।


৩০। "হৃদয় রাস মন্দিরে দাড়াও মা ত্রিভঙ্গ হয়ে ।" পদটির রচয়িতাকার কে ? পদ টি কোন পর্যায়ের পদ ?


উত্তর:- পদটির রচয়িতাকার হলেন নবাই ময়রা ।

পদটি ভক্তের আকুতি পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত ।


৩১। " ডুবিল জলধি জলে প্রাণের কুমার । " এ খানে কার কথা বলা হয়েছে ?


উত্তর:- মেনকার একমাত্র পুত্র " মৈনাক "র সমন্ধে বলা হয়েছে । 


৩২। "বল গিরি  এ দেহে কি প্রাণ রহে আর " উক্ত পদ টি কার রচনা ? এটি কোন পর্যায়ের পদ ?


উত্তর:- পদটি রচনা করেছেন ঈশ্বর গুপ্ত। এটি আগমনী পর্যায়ের পদ ।


৩৩। " তুমি তো মা .... " এ খানে কার মনবেদনা ফুটে উঠেছে ?


উত্তর:- এখানে উমার মনবেদনা ফুটে উঠেছে ।


৩৪। ".... ও মা ভেসে গেল নয়ন জলে " - এ খানে কার কাঁদার কথা বলেছেন ?


উত্তর:- এখানে শিবের কাঁদার কথা বলা হয়েছে । 


৩৫। " তুমি তো মা ছিলে ভুলে " পদটির রচয়িতাকার কে ? পদ টি কোন পর্যায়ের ?


উত্তর:- পদটির রচয়িতাকার হলেন গিরিশচন্দ্র ঘোষ । এটি আগমনী পর্যায়ের পদ । 


৩৬। " গিরিরাজ হে , জামায়ে ...." এটি কোন পর্যায়ের পদ ?


উত্তর:- আগমনী পর্যায়ের পদ এটি । 


৩৭। " আমার শিব তো আছেন ভাল ? " কে কার প্রতি এই উক্তি করে ?


উত্তর:-  মেনকা তার মেয়ে উমার কাছে জামাতা শিবের কথা জানতে চেয়েছেন।


৩৮। " গিরিরাজ হে , জামায়ে এনো  মায়ের সঙ্গে । " পদটির রচয়িতাকার কে ?


উত্তর:- অক্ষয়চন্দ্র সরকারের পদ ।


৩৯।" উমা কেঁদে করে অভিমান .." উমার অভিমানের কারণ কি ? 


উত্তর:- উমা চাঁদ দেখে তাকে ধরার আশা করেছে কিন্তু চাঁদ ধরা যায় না শুনে এই অভিমান । 


৪০। " কবে যাবে বল গিরিরাজ ..." পদটির ভনিতা অংশ লেখো ?


উত্তর:- কেমনে সহিবে এত মায়ের প্রানেতে ।


৪১।" কবে যাবে বল গিরিরাজ ..." এটি কোন পর্যায়ের পদ ?


উত্তর:- এটি আগমনী পর্যায়ের পদ ।



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন