বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০২১

" নীলধ্বজের প্রতি জনা " পত্রিকায় জনা তার স্বামী নীলধ্বজের আচরণের বিরুদ্ধে যে যে উক্তি উপস্থাপন করেছে তা নিজের ভাষায় লেখো

 

বাংলা অনার্স নীলধ্বজের প্রতি জনা পত্রিকায় জনা তার স্বামী নীলধ্বজের আচরণের বিরুদ্ধে যে যে উক্তি উপস্থাপন করেছে তা নিজের ভাষায় লেখো Bangla honours nildhojer proti jona potrikay jona tar swami nildhojer achoroner birudhe je ukti uposthapon koreche ta nijer bashay lekho


                     প্রশ্নের মান - ৫/৬



প্রশ্ন: " নীলধ্বজের প্রতি জনা " পত্রিকায় জনা তার স্বামী নীলধ্বজের আচরণের বিরুদ্ধে যে উক্তি উপস্থাপন করেছে তা নিজের ভাষায় লেখো ? 



উত্তর:- বীরাঙ্গনা কাব্যের একেবারে শেষ তথা একাদশ পত্রিকা " নীলধ্বজের প্রতি জনা  " পত্রিকা । এই পত্রিকাটি জনা তার স্বামী নীলধ্বজের প্রতি প্রেরণা করেছেন । অর্জুন অর্শ্বমেধ ঘোড়া ধরার অজুহাতে নীলধ্বজ পুত্র প্রবীর কে সমরে হত্যা করে । তারপরও নীলধ্বজ কাপুরুষের মতো বিরোধিতা না করে অর্জুন ও কৃষ্ণ কে সাদরে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন । কিন্তু জনা স্বামীর এই কাজ সমর্থন করেন না । তিনি তাঁর স্বামী কে যেভাবে সমরোৎসহ যুগিয়েছেন তা দুর্লভ । পরিশেষে আত্মাভিমানে তিনি গৃহ ত্যাগ করেছেন এবং জাহ্নবীর জলে সলিল সমাধি গ্রহণ করেছেন । এ খানেই তিনি বীরাঙ্গনা ।


[     ] জনা সাধারণ বাঙালীর বধূর মতো নীলধ্বজ কে ভয় দেখিয়ে শেষে জাহ্নবীর জলে আত্মবিসর্জন দিতে চেয়েছেন । স্বামী নীলধ্বজ কে তিনি জানিয়েছেন যে , নীলধ্বজ ভুল করেছেন পার্থকে সমাদর করে । তিনি পার্থর কূল সম্পর্কে প্রশ্ন তুলে ধরেন । দ্রৌপদীকে তিনি কুলটা ও অর্জুন কে " জারজ " সন্তান বলেছেন । কুন্তী তার কাছে " শৈরিনি " । তিনি আরো যুক্তি দেখিয়েছেন যে তিনি " ক্ষত্রকুলবালা " কিন্তু যদিও তিনি যথার্থ ক্ষত্রিয়তা দেখাতে সক্ষম হননি । তবুও স্বামীকে প্রেরণা দিতে এতটুকু কম করেননি । জনার অভিমত যিনি নমস্য হবেন , জন্মগত দিক থেকে তিনি হবেন বিশুদ্ধ ও পবিত্র আর কর্ম ও চরিত্রের দিক থেকেও তিনি হবেন , আদর্শ স্থানীয় ও ন্যায় পরায়ন ।



[      ] জনার এই যুক্তি ও বিচার বিশ্লষণ ক্ষমতা তাকে অবশ্যই আধুনিক চরিত্রে পরিণত করেছে । নমস্য ও শ্রধেয় চরিত্র কে তিনি নিজের মতো করে বিচার করতে পেরেছেন ।



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন