শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আদাব অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

 

বাংলা অনার্স সাম্মানিক আদাব অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর Bengali honours adab oti songkhipto questions answer


                   প্রশ্নের মান :- ১/২



১। আদাব গল্পের প্রধান চরিত্র কটি ? তাদের নাম কি ? 



উত্তর:- আদাব গল্পের প্রধান চরিত্র দুটি । তাদের নাম উল্লেখ করা হয়নি । একজনকে " সুতামজুর " অন্যজনকে " মাঝি " বলে চালানো হয়েছে ।



২। " আদাব " গল্পের হিন্দু চরিত্রটি কি নামে পরিচিত মুসলমান চরিত্রটিই বা কি নামে পরিচিত ? 



উত্তর:- " আদাব " গল্পের হিন্দু চরিত্র হলো সুতা মজুর ,  মুসলিম চরিত্রটি হলো মাঝি । 



৩। মাঝির সঙ্গের পুটলিতে কি ছিল ?



উত্তর:- মাঝির সঙ্গের পুটলিতে ছিল ঈদ উপলক্ষে কেনা " পোলা মাইয়ার লাইগা দুইডা জামা আর একখানা শাড়ি ।"



৪। কে মাঝির নায়ে চেপে কিভাবে মাঝির জীবিকার সংস্থান করত ?



উত্তর:- হিন্দু নায়েক বাবু মাঝির নায়ে চেপে নয়রার চরে কাছারি করতে যেতেন । তিনিই ভাড়া বাবদ পাঁচ টাকা বকশিস পাঁচ টাকা হিসেবে প্রতি মাসে দশ টাকা দিয়ে মাঝির জীবিকা সংস্থানে সহায়তা করতেন ।



৫। " আদাব " গল্পে কার মৃত্যু ঘটে ? কিভাবে ?



উত্তর:- " আদাব " গল্পে মাঝির মৃত্যু ঘটে পুলিশের গুলিতে ।



৬। সুতা মজুর মাঝির জন্য কার কাছে কি প্রার্থনা করেছিল ?



উত্তর:- সুতা মজুর প্রার্থনা করেছিল " ভগবান মাজি যান বিপদে না পড়ে ।" 



৭। পাহারাওয়ালা পুলিশেরা মাঝিকে কি ভেবেছিল ?  কি বলে তারা চিৎকার করেছিল ? 



উত্তর:- পাহারাওয়ালা পুলিশেরা মাঝিকে ডাকাত ভেবেছিল । তাই " ডাকু ভাগতা হ্যায় " বলে চিৎকার করছিল ।



৯। " আদাব " গল্পে কোন শহরে ১৪৪ ধারা জারির কথা বলা হয়েছে ? কেন ?



উত্তর:- আদাব গল্পে কলকাতা শহরে ১৪৪ ধারা জারির কথা বলা হয়েছে । হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা দমন করবার জন্যই ১৪৪ ধারা জারি করা হয় ।



১০। নায়েব মাঝি কোন হিন্দু বড়ো লোকের  প্রশংসা করেছে ? কেন ? 



উত্তর:- নায়ের মাঝি নায়ের বাবুর প্রশংসা করেছে । নায়েব বাবু তার নায়ে নইরার চরে প্রতি মাসে কাছারি করতে যেতেন আর মাঝিকে দশটি করে টাকা দিতেন । তাঁর হাত যেন হজরতের হাত । মাসের খোরাকি জুটে যেত তাঁর দয়াতেই । এ জন্যই মাঝি তাঁর প্রশংসা করেছে ।



১১। দাঙ্গার ফলে মাঝির মনে কোন কোন দুর্ভাবনা দেখা দিয়েছে ?  



উত্তর:- দাঙ্গার কারণে মাঝির মনে দুরভাবনা জেগেছে হয়তো এতক্ষণে তার নাওটিকে ডুবিয়ে দেয়া হয়েছে । যদি বা থাকে নায়েববাবুর মত হিন্দু আর তার নায়ে পা রাখবেন না মাসে দশ টা করে টাকা পাবার সম্ভবনা ঘুচে গেল । এ জন্যই তাঁর দুশ্চিন্তা ছিল ।



১২। " মানুষ না আমরা যেন কুত্তার বাচ্চা হইয়া গেছি ।" বক্তা কে ? কেন একথা সে বলেছে ?



উত্তর:- " মানুষ না আমরা যেন "  কথাটা বলেছে  " আদাব " গল্পের সুতা মজুর । স্বার্থের কারণে মানুষসত্য বিসর্জন দিয়ে হিন্দু-মুসলমানরা দাঙ্গা বাঁধিয়ে যেভাবে কামড়াকামড়ি করছে তাতে বিরক্ত হয়েই সুতা মজুর এমন কথা বলেছে  ।



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন