বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর, ২০২১

মেঘ ও রৌদ্র অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

 

বাংলা অনার্স সাম্মানিক মেঘ ও রৌদ্র অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর Bengali honours megh o roudro oti songkhipto questions answer রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্পগুচ্ছ অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর robindronath Tagore golpo gucho questions answer

                   প্রশ্নের মান :- ১/২


১। রবীন্দ্রনাথের "  মেঘ ও রৌদ্র " গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকার কোন সংখ্যায় প্রকাশিত হয় ?

উত্তর:- " মেঘ ও রৌদ্র " গল্পটি " সাধনা " পত্রিকার আশ্বিন কার্তিক ১৩০১ সংখ্যায় প্রথম প্রকাশিত হয় ।

২। " মেঘ ও রৌদ্র " গল্পটিতে কটি পরিচ্ছেদ ?

উত্তর:- " মেঘ ও রৌদ্র " গল্পে দশটি পরিচ্ছেদ রয়েছে ।

৩। গিরিবালা দের গ্রামের মানুষ কী নিয়ে মেতে থাকত ? সাহিত্যচর্চা করত কারা ?

উত্তর:- গ্রামের মানুষেরা " দলাদলি , চক্রান্ত , ইক্ষুর চাষ , মিথ্যা মোকদ্দমা , এবং পাটের কারবার লইয়া " মেতে থাকত । সাহিত্য চর্চা করত কেবল শশীভূষণ আর গিরিবালা ।

৪। গল্পের সূচনায় গিরিবালার বয়স কত ছিল ? তাঁর বাবার নাম কী ?

উত্তর:- গল্পের সূচনায় গিরিবালার বয়স ছিল দশ বছর । তাঁর বাবার নাম হরকুমার ।

৫। শশীভূষনের পরিচয় কী ?

উত্তর:- শশীভূষণ গিরিবালা দের প্রতিবেশী । শহর থেকে এম . এ . পাশ করার পর আইনও পড়েছে । চোখে কম দেখে মানুষের সঙ্গে মিশতে চায় না । শহরে কোনোও কাজের যোগ্য হয়ে উঠতে না পেরে গ্রামে এসেছে বাপের বিষয় রক্ষার দায়িত্ব নিয়ে ।

৬। কী কী কারণে গ্রামবাসীরা শশীভূষণ কে অহংকারী ভাবতো ?

উত্তর:- উচ্চ শিক্ষিত প্রতিবেশী পুত্রকে গ্রামের মানুষ এমনিতে অহংকারী ভাবে । তাছাড়া ক্ষীণ দৃষ্টি বলে শশীভূষণ মানুষ চিনতে বিশেষ ভঙ্গিতে তাদের দিকে তাকাত । সেটাকে তারা অহংকারের প্রকাশ মনে করত । বিবাহ করতে না চাওয়ার জন্যও গ্রামবাসীরা শশীভূষণ কে অহংকারী ভাবতো ।

৭। " ছাপার বইয়ে এমন কথা লেখা আছে শুনিয়া গিরিবালা সম্পুর্ন নিরুত্তর হইয়া যাইত ।" এমন কোন কথা যা শুনে গিরিবালা নিরুত্তর হত ?

উত্তর:- ছাপার বইয়ে নাকি লেখা আছে সূর্য পৃথিবীর থেকে অনেক বড়ো । কথাটা শুনে গিরিবালা নিরুত্তর থাকত ।

৮। গিরিবালা প্রথমে কাদের কাছে পড়া শিখতে চায় ? কে তাকে পড়া শেখাতে উৎসাহী হয়  ?

উত্তর:- গিরিবালা দাদাদের কাছে পড়া শিখতে চায় । কিন্তু দাদারা উৎসাহ দেখায় নি । তখন শশীভূষণ গিরিবালা কে পড়া শেখাতে উৎসাহ দেখায় ।

৯। হরকুমারের পেশা কী ?

উত্তর:- এক কালে  হরকুমার নিজ গ্রামের পত্তনিদার ছিল । দুরবস্থায় পড়ে এ খন বিদেশী জমিদারের নায়েবী পদ গ্রহণ করেছে ।

১০। শশীভূষণ গিরিবালা কে কী কী শেখাত ?

উত্তর :- শশীভূষণ গিরিবালা কে অক্ষর চেনাত , বানান শেখাত , ব্যাকরণ শেখাত , আবার কখনো বড়ো বড়ো কাব্য তর্জমা করে শুনাত , মতামত ও জানতে চাইতো ।

১১। শশীভূষণ গ্রাম ছেড়ে কলকাতায় পালাতে চায় কেন ?

উত্তর:- প্রতিবেশী হরকুমারের সঙ্গে অনৈতিক কাজে যুক্ত না হওয়ায় রুষ্ট হরকুমার নিজে এবং অণ্যদের দিয়ে শশীভূষণ কে ক্ষতি গ্রস্থ করতে থাকে । তাঁর ক্ষেতে গরু প্রবেশ করে তার কলাইয়ের খোলায় আগুন ধরে যায় , জমির সীমানা নিয়ে বিবাদ লাগে , প্রজারা সহজে খাজনা দেয় না , মারের এবং ঘরে আগুন লাগাবার ভয়ও দেখায় । তাই বিরক্ত হয়ে শশীভূষণ কলকাতায় পালাতে চায় ।

১২। জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব গ্রামে তাবু ফেললে কে কীভাবে তাঁর আতিথ্য করতে তৎপর হয় ?

উত্তর:- জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব গ্রামে তাবু ফেললে নায়েব হরকুমার তাঁর আতিথ্য করতে তৎপর হয় । সাহেবের জন্য মুরগী আন্ডা , ঘৃত , দুগ্ধ  সবই যোগান দিতে লাগল । সাহেব এবং জমিদার উভয়েরই পপ্রিয় হয়ে কিছু সুবিধা পাবার লোভে যেটুকু প্রয়োজন তার থেকে বেশীই যোগান দিতে লাগলো ।

১৩। জয়েন্ট সাহেবের মেথরের সঙ্গে হরকুমারের বিবাদ হয় কি নিয়ে ?

উত্তর :- জয়েন্ট সাজেবের মেথর সাহেবের কুকুরের জন্য চার সের ঘৃত চেয়ে বসে । হরকুমারের সেটা সহ্য হয় না । সে ঘৃত না দিয়ে মেথর কে উপদেশ দেয় । তাতেই মেথরের সঙ্গে নায়েবের বিবাদ বাঁধে ।

১৪। নায়েব হরকুমার কে জয়েন্ট সাহেবের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার পরামর্শ কে দেয় ? তাতে উকিল নিযুক্ত হয় কে ?

উত্তর:- হরকুমার কে সাহেবের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার পরামর্শ দেয় শশীভূষণ । তাতে শশীভূষণই উকিল হিসেবে লড়তে চায় ।

১৫। ম্যাজিস্ট্রেট নায়েবের উকিল শশীকে প্রাইভেট কামরায় ডেকে কী বলেছিলেন ?

উত্তর:- ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব উকিল শশীভূষণ কে প্রাইভেট কামরায় ডেকে বলেছিলেন " এ মোকদ্দমা টা গোপনে মিটমাট করিয়া ফেলিলে ভালো হয় না কি ।"

১৬। সাহেবের বিরুদ্ধে মানহানির মামলার সকল পরিশ্রম ব্যার্থ হয় কীভাবে ?

উত্তর:- নায়েব হরকুমার তাঁর জমিদারের নির্দেশে জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেট ও ম্যাজিস্ট্রেটের বাসায় গিয়ে শশীর ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে মামলার নিষ্পত্তি করে আসে । তাতে নায়েবের কিছু প্রাপ্তি ও হয় , ব্যার্থ হয় শশীর উদ্যোগ ।

১৭। গোপনে মামলা মিটিয়ে নিয়ে নায়েব হরকুমারের কী কী প্রাপ্তি হয় ?

উত্তর:- গোপনে মামলা মিটিয়ে নেওয়ায় হরকুমার জেলার বেঞ্চে অনরারি ম্যাজিস্ট্রেটের পদ পায় ।

১৮। গীরিবালার বিবাহের দিনে শশীভূষণ কোথায় ছিল ?

উত্তর:- গিরিবালার বিবাহের দিনে অনিমন্ত্রিত শশীভূষণ নৌকাযোগে কলকাতায় চলেছিল ।

১৯। শশীভূষণ পুলিশ সাহেবের কোন অপরাধের প্রতিবাদ করেছে ? তাঁর ফল কী হয় ?

উত্তর:- জেলেদের দামী জাল কেটে দেওয়া এবং নিরপরাধ জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার অপরাধের প্রতিবাদ করে একমাত্র শশীভূষণ । তাতে সাহেব তাকে অপমানকর কথা বলায় শশীভূষণ ক্রুদ্ধ হয়ে সাহেবকেও প্রহার করতে থাকে । তাতে শশীকে গ্রেপ্তার হতে হয় ।

২০। শশীভূষণ জামিনে খালাস পেয়ে পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে মামলা করে কী ফল পায় ?

উত্তর:- শশীভূষণ সুপারের বিরুদ্ধে মামলা করলেও তাঁর পক্ষে কেউ সাক্ষী দেয়নি । যারা সাক্ষ্য দিতে আসে তারাও সাহেবের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়নি । তাই শশীভূষণ কে আর একবার অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে হারতে হল ।

২১।  সপক্ষের সাক্ষীদের বিশ্বাস ঘাতকতায় শশিভুষনের কী পরিণতি হয় ?

উত্তর:- সাক্ষীদের বিশ্বাস ঘাতকতা ও মিথ্যা বয়ানে শশীর বিরুদ্ধে অনেক গুলি অপরাধ প্রমান হয়ে যায় । তাই তাঁর পাঁচ বছরের জেল হয় ।

২২। শশীভূষণ যখন জেলে ছিল তখন গিরিবালার জীবনে কী কী ঘটে যায় ?

উত্তর:- বিনা অপরাধে শশীভূষনের পাঁচ বছরের জেল হয় । এই সময় কালের মধ্যেই গিরিবালার স্বামীর মৃত্যু হয় । সে বিধবা হয় এবং একই সঙ্গে বিরাট সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয় ।

২৩। জেল থেকে এসে শশীভূষণ যখন গিরিবালা কে দেখল তখন গিরিবালার বয়স কত হতে পারে ?

উত্তর:- জেল থেকে এসে শশীভূষণ যখন গিরিবালা কে দেখে তখন গিরিবালার বয়স ১৬ - ১৭ বছর ।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন