সোমবার, ১১ অক্টোবর, ২০২১

জলসাঘর অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

 

বাংলা অনার্স সাম্মানিক জলসাঘর অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর Bengali honours jalasa ghor oti songkhipto questions answer


                   প্রশ্নের মান :- ১/২



১। বিশ্বম্ভর বাবুর বাগানে কোন কোন গাছ অবশিষ্ট  আছে ? 



উত্তর:- বিশ্বম্ভর বাবুর বাগানে অবশিষ্ট গাছের মধ্যে রয়েছে কটা মুচকুন্দ , বকুল , নাগেশ্বর ও চাপা ।



২। রায় বাড়ির পাশ দিয়ে কোন নদী প্রবাহিত ?  বিশ্বম্ভরবাবু ঘুম ভাঙ্গে কিভাবে ?



উত্তর:- রায় বাড়ির পাশ দিয়ে গঙ্গা নদী প্রবাহিত ।  বিশ্বম্ভর বাবুর ঘুম ভাঙ্গে অভ্যাস বশে পারাবতের গুঞ্জনে । 



৩। বিশ্বম্ভর রায়ের পুরোনো খানসামার নাম কি ? বিশ্বম্ভর রায়ের বড়লোক প্রতিবেশীর নাম কি ?



উত্তর:- বিশ্বম্ভর রায়ের পুরানো খানসামার নাম অনন্ত । বিশ্বম্ভর রায়ের হালে বড়লোক প্রতিবেশীর নাম মহিম গাঙ্গুলী ।



৪। বিশ্বম্ভর রায়ের অবশিষ্ট ঘোড়াটির নাম কি ? তার রং কেমন ?



উত্তর:- বিশ্বম্ভর রায়ের ঘোড়াটির নাম তুফান । তার রং সাদা ।



৫। তুফানের পরিচর্যাকারী সহিসের নাম কি



উত্তর:- তুফানের পরিচর্যাকারী সহিসের নাম নিতাই ।



৬। বিশ্বম্ভররায়ের নায়েবের কাজ করতেন কে ?



উত্তর:- বিশ্বম্ভর রায়ের নায়েবের কাজ করতেন তারাপ্রসন্ন ।



৭। বিশ্বম্ভর রায়ের হাতিটির নাম কি ? তিনি কি বলে তাকে ডাকতেন ? 



উত্তর:- বিশ্বম্ভর রায়ের হাতিটির নাম মতি ।  রায় মশাই তাকে  কখনো কখনো " মালী "  বলতেন ।



৮। রাজবাড়ীতে মতির আগমন ঘটে কিভাবে ?



উত্তর:- রাজবাড়ীতে মতির আগমন ঘটে বিশ্বম্ভর রায়ের মায়ের বিয়ের যৌতুক হিসেবে । সেজন্যই  বিশ্বম্ভর মতিকে " মা " ডাকতেন  ।



৯। কে মতির নাম " ছোট গিন্নি " রেখেছিল ?  মতির মাহুতের নাম কি ?



উত্তর:- মতির নাম " ছোট গিন্নি " রেখেছিলেন বিশ্বম্ভরের মা । মতির  মাহুতের নাম রহমত ।



১০। কোন মুসলমান কর্মচারী বিশ্বম্ভরের শেষ দিন পর্যন্ত রাজবাড়ীতে থেকে যায় ?



উত্তর:- মতি মাহুদ রহমত বিশ্বম্ভরের শেষ দিন পর্যন্ত রায় বাড়িতে কাজ করেছে ।



১১। বিশ্বম্ভর রায়ের পিতার নাম কি ?



উত্তর:- বিশ্বম্ভর রায়ের পিতার নাম ধনেশ্বর রায় ।


১২। "  ব্যান্ড বাজে কথায় রে " কে কাকে এ প্রশ্ন করে ? ব্যান্ড বাজার কারণ কি ?  



উত্তর:- "  ব্যান্ড বাজে কথায় রে " এ প্রশ্ন বিশ্বম্ভর রায় সহিস নিতাইকে করেছেন । ব্যান্ড বাজার কারণ ছিল গাঙ্গুলীদের ছেলের অন্নপ্রাশন ।



১৩। রাত বাবু গাঙ্গুলিদের ছেলের অন্নপ্রাশনে কি উপহার পাঠিয়েছিলেন ?



উত্তর:- রায় বাবু গাঙ্গুলীদের ছেলের অন্নপ্রাশনে কাঁসার থালা আর একটা গিনি উপহার হিসেবে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন ।



১৪। কে কিভাবে রায়মশাইয়ের প্রতিনিধি হিসেবে গাঙ্গুলী বাড়িতে লৌকুতো করতে গিয়েছিল ? 



উত্তর:- রায়বাড়ির নায়েব তারাপ্রসন্ন রায় মশাইয়ের প্রতিনিধি হিসেবে গাঙ্গুলী বাড়িতে লৌকুতো করতে যায় ,  হাতির পিঠে চেপে । 



১৫। কোন আদালতের রায়ে রায়বংশের সম্পত্তি বেহাত হয়ে যায় ? 



উত্তর:- প্রথমে জেলার কোর্ট ,  পরে হাইকোর্টে এবং শেষে প্রিভি কাউন্সিলের রায়ের  রায়বংশের সম্পত্তি বেহাত হয়ে যায় । কেবল বাড়ি আর লাখেরাজ সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকে ।



১৬। বিশ্বম্ভর স্ত্রী-পুত্র-কন্যারা কিভাবে মারা যায় ?



উত্তর:- বিশ্বম্ভর স্ত্রী-পুত্র-কন্যারা  মারা যায় কলেরায় । সাত দিনের মধ্যে সব শেষ হয়ে যায় ।



১৭। বিশ্বম্ভরের প্রতি গাঙ্গুলীদের ঈর্ষার তার কারণ কি ?



উত্তর:- শ্রী ভ্রষ্ট হওয়া সত্ত্বেও বিশ্বম্ভরকে সকলে রাজার সম্মান দিত , " রায় হুজুর " বলতো , অথচ ধনী গাঙ্গুলীদের কেউ সে সম্মান দিত না ।  তাই গাঙ্গুলীদের মনে ক্ষোভ ছিল ।



১৮। হতশ্রী বিশ্বম্ভর রায়কে মহিম গাঙ্গুলী কোন কোন উপায়ে খোঁচা দিতে চেয়েছেন ? 


উত্তর:- বিশ্বম্ভর রায়কে খোঁচা দেবার জন্য মহিন গাঙ্গুলী মোটর নিয়ে রায়বাড়ীতে এসেছেন লক্ষ্ণৌ থেকে বাঈজি আনার কথা জানিয়েছেন , সাহেব সুবোদের নিমন্তন্ন করে আনার কথা জানিয়েছেন , বাড়ীটা জীর্ণ হয়েছে সারানোর দরকার বলে জানিয়েছেন , বাঈজিদের রায়বাড়ীতে পাঠিয়েছেন , জলসাঘরে তার পেট্রোম্যাক্স আলো আনার কথা বলেছেন , নিয়ম ভেঙ্গে বাঈজিকে ইনাম দিতে চেয়েছেন ।  এসব করার উদ্দেশ্যে , রায়মশায়ের দুরাবস্থার কথা মনে করিয়ে দেওয়া ।



১৯। লক্ষ্ণৌর বাঈজিদ্বয়ের নাম কি ?



উত্তর:- লক্ষ্ণৌর বাঈজিদ্বয়ের নাম কৃষ্ণা বাঈ  এবং পিয়ারী বাঈ । 



২০। লক্ষ্ণৌর বাঈজিরা কদিনের জন্য মুজরো বায়না নিয়ে মহিম গাঙ্গুলীর বাড়িতে গাওনা করে 



উত্তর:- লক্ষ্ণৌর বাঈজিরা তিন দিনের বায়না নিয়ে এসে পাঁচদিন গাওনা করে ।



২১। লক্ষ্ণৌর বাঈজিদের মুজরো করার পারিশ্রমিক কত ছিল ?



উত্তর:- লক্ষ্ণৌর বাঈজিদের মুজরো করার পারিশ্রমিক ছিল প্রতি রাতে 100 টাকা ।



২২। মর্যাদা রক্ষার তাগিদে রায়মশায় কিভাবে বাঈজিদের মুজরো করানোর খরচ সংগ্রহ করেছিলেন ?



উত্তর:- রয়মশায় রায়বংশের মাঙ্গলিক সিঁথি আনন্দময়ীর জন্য বিক্রি করে দেবোওরের তহবিলের দেড়শো টাকা নিয়ে মুজরোর খরচ সংগ্রহ করেছিলেন ।



২৩। বিশ্বম্ভর রায়ের পিতামহের নাম কি ? কে রায় বাড়ীতে জলসা ঘর তৈরি করান ?



উত্তর:- বিশ্বম্ভর রায়ের পিতামহের নাম রাবনেশ্বর রায় । রায়বাড়ীতে জলসা ঘর তৈরি করান দুর্দান্ত ভোগী পুরুষ রাবনেশ্বর রায় ।



২৪। জলসাঘরে প্রথম মজলিস বসার দিন  রায় বাড়িতে কোন দুর্ঘটনা ঘটে ? 



উত্তর:- জলসাঘরে প্রথম মজলিস বসার দিন  রাবনেশ্বর স্ত্রী পুত্র মারা যায় ।



২৫। কে জলসা ঘরে এক বাঈজিকে ৫০০ মোহর উপহার দেন এবং কেন ?



উত্তর:- রাবনেশ্বরের দ্বিতীয় পক্ষের পুত্র তারকেশ্বর জলসা ঘরে এক বাঈজিকে দিকে এক রাতেই ৫০০ মোহর বকশিস দেন । এক ধনী আমিরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতেই তিনি এ কাজ করেন ।



২৬। বিশ্বম্ভর রায়ের যৌবনে প্রিয় বাঈজির নাম কি ? তার বাড়ি কোথায় ছিল ? 



উত্তর:- বিশ্বম্ভর রায়ের প্রিয় বাঈজির নাম চন্দ্রাবাঈ ।  তার বাড়ি ছিল দিল্লিতে ।



২৭। রায় মশাই কৃষ্ণাবাঈকে কি নামে সম্বোধন করেছেন ? কেন ?



উত্তর:- রায় মহাশয় কৃষ্ণাবাঈকে " চন্দ্রা " বলে সম্বোধন করেছেন । মদের নেশায় ঘোর লাগা চোখে কৃষ্ণা কে রায় মশায় প্রিয় বাঈজি চন্দ্রা বলে মনে হয়েছে । 



২৮। রাই মশায় লক্ষ্ণৌর বাঈজিদের কি ইনাম দিয়েছিলেন ? 



উত্তর:-  রায়মশাই লক্ষ্ণৌর বাঈজিদের ইনাম পাঠিয়েছিলেন রুপার রেকাবিতে দুই খানাগিনী ।



২৯। বিশ্বম্ভর রায় মহিম গাঙ্গুলীর কোন নেমন্তন্ন রক্ষা করতে পারেননি ? 



উত্তর:- বিশ্বম্ভর রায় মহিম গাঙ্গুলীর বাড়িতে জলসায় পায়ের ধুলো দেবার নিমন্তন্ন রাখতে পারেননি শরীর ভালো না থাকার জন্য ।



৩০। খাসতালুক বলতে কী বোঝায় ?



উত্তর:- খাসতালুক হল  জমিদারির অন্তর্ভুক্ত সেই অঞ্চল জমিদার স্বয়ং যেখানকার খাজনা আদায় করেন ।



৩১। রাজ বংশের আদি পুরুষ কে ? তিনি কোন পেশায় নিযুক্ত ছিলেন ?



উত্তর:- রাজ বংশের আদি পুরুষ ভুবনেশ্বর রায় । তিনি নবাব দরবারের কানুনগো ছিলেন ।



৩২। কানুনগো কাদের বলা হয় ?



উত্তর:- জমির হিসাব রাখবার প্রশাসনিক দায়িত্ব যাদের উপর থাকে তাদের সহকারী পদের নাম কানুনগো ।



৩৩। জলসাঘরে কার শিকারের ছবি টাঙ্গানো ছিল ? ছবিটা কীরূপ ?  



উত্তর:- জলসাঘরে রাবনেশ্বরের বাঘ শিকার করা ছবি টাঙ্গানো ছিল । মৃত বাঘের উপর পা তুলে তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন ।



৩৪। লক্ষ্ণৌর বাঈজিদের গিনি ইনাম দিয়ে বিশ্বম্ভর রায়ের কি মনে হয়েছিল ?



উত্তর:- লক্ষ্ণৌর বাঈজিদের গিন্নি ইনাম দিয়ে বিশ্বম্ভর রায়ের মনে হয়েছিল " রায়বাড়ীর মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় নাই।" 



৩৫।" জলসাঘর "গল্পের শেষে রায় মশায়ের হাত থেকে কি পড়ে যায় ? এটা কিসের ইঙ্গিত ?



উত্তর:- জলসাঘর গল্পের শেষে রায় মশাইয়ের হাত থেকে চাবুক পড়ে যায় । এটা জমিদারি শাসনের পতনের ইঙ্গিত ।



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন