শনিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২১

নীলদর্পণ অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

 

বাংলা অনার্স সাম্মানিক নীলদর্পণ অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর বাংলা উপন্যাস নীলদর্পণ সাজেশন bengali honours nildorpon oti songkhipto questions answer nildorpon suggestions


                     প্রশ্নের মান : ১/২



১। চাকরিতে যোগ্যতার পরিচয় দিতে পারায় দীনবন্ধু সরকারের কাছ থেকে কোন পুরস্কার লাভ করেন ?


উত্তর:- চাকরিতে যোগ্যতার পরিচয় দিতে পারায় দীনবন্ধু সরকারের কাছ থেকে " রায়বাহাদুর " পুরস্কার লাভ করেন ।


২। দীনবন্ধু " নীলদর্পণ " নাটকে নিজের নাম ব্যবহার করেননি কেন ?


উত্তর:- " নীলদর্পণ " নীলকর সাহেবদের দোষ ত্রুটি প্রকাশ করার জন্য লেখা । লেখকের নাম জানা গেলে নীলকর সাহেবদের চাপে চাকুরীর ক্ষতি সাধন করা হতে পারে আশঙ্কা করেই দীনবন্ধু নাম গোপন করেছিলেন ।


৩। " নীলদর্পণ " কোথায় প্রথম অভিনীত হয় ? কখন ?


উত্তর:- ১৮৭২ সালের ৭ই ডিসেম্বর কলকাতায় " সাধারণ রঙ্গালয় " প্রতিষ্ঠিত হয় । ওইদিন উদ্বোধনী অভিনয় হিসেবে " নীলদর্পণ " অভিনীত হয় ।


৪। নীলদর্পনের ইংরেজী অনুবাদক ও প্রকাশকের নাম কী ?


উত্তর:- " নীলদর্পণ " ঢাকা শহর থেকে প্রকাশিত হয় । প্রকাশকের নাম ও মুদ্রকের নাম শ্রীরাম চন্দ্র ভৌমিক । মুদ্রিত " বাঙলার যন্ত্রে " ।


৫। সমকালীন কোন কোন পত্র পত্রিকায় নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের কথা প্রচার করা হত ?


উত্তর:- সমকালীন পত্রিকা সংবাদ প্রভাকর , তত্ত্ববোধিনী , হিন্দু পেট্রিয়ট , সোম প্রকাশ , প্রভৃতি পত্র পত্রিকায় নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের কথা প্রকাশ পেত ।


৬। " নীলদর্পণ " অভিনয় কালে কার অভিনয় দেখে কে জুতো ছুঁড়ে ছিলেন ?


উত্তর:- " নীলদর্পণ " অভিনয় কালে উড সাহেবের ভূমিকায় অধেরন্দু শেখর মুস্তাফির বাস্তব সম্মত অভিনয় দেখে শ্বেতনরপশু উডের দিকে জুতো ছুঁড়ে ছিলেন বিদ্যাসাগর ।


৭। নীল বিদ্রোহে কাদের নাম স্বরনীয় হয়ে আছে ?


উত্তর :- নীল বিদ্রোহে যাঁদের নাম স্বরনীয় হয়ে আছেন তাঁরা হলেন চৌ গাছার বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাস , ঝিনাইদহের মহেশ চন্দ্র চট্টোাধ্যায় , বিশ্বনাথ সর্দার , গোপাল তরফদার প্রভৃতি ।


৮। বাংলাদেশের কোন কোন জেলায় নীলের চাষ ভালো হত ?


উত্তর:- বাংলাদেশের যশোর , নদীয়া , ২৪ পরগনা , পাবনা , রাজশাহী প্রভৃতি জেলায় নীল চাষ ভালো হত ।


৯। গোলক বসু ও সাধু চরণের প্রতি কত বিঘে জমিতে নীল চাষের আদেশ হয়েছিল ?


উত্তর:- গোলক বসুর প্রতি ৬০ বিঘে এবং সাধু চরণের প্রতি ৯ বিঘে জমিতে নীল চাষের আদেশ হয়েছিল ।


১০। নাটকের সূচনায় কোন গ্রাম জ্বালানোর কথা আছে ? কার উদ্যোগে সেই গ্রাম জ্বালানো প্রমাণ হয় এবং কে সাজা পায় ?


উত্তর:- নাটকের সূচনায় পলাশপুর গ্রাম জ্বালানোর কথা আছে । নবীন মাধবের তৎপরতায় সেই অপরাধ প্রমান হয়ে যায় এবং কুঠির সাহেব দেওয়ানের ছ বছর জেল হয় ।


১১। আদুরী কে ? তার স্বভাব কেমন ছিল ?


উত্তর:- নবীন মাধবের বাড়ীর পৌডা পরিচারিকা । তার স্বভাব ছিল কথায় কথায় রঙ্গ তামাশা করা ।


১২। সাধুচরণের স্ত্রী কন্যা ও ভাইয়ের নাম কি ?


উত্তর:- সাধুচরণের স্ত্রীর নাম রেবতী , কন্যার নাম ক্ষেত্রমনি , আর ভাইয়ের নাম রাইচরণ ।


১৩। কোন বাস্তব চরিত্রের অনুসরণে বা প্রভাবে ক্ষেত্রমনি চরিত্রের পরিকল্পনা পাওয়া যায় ? তাদের কুঠিতে আটকে রাখা হয়েছিল কেন ?


উত্তর:- কৃষণ কন্যা হরিমনি , যে আঁকিবলর্ড সাহেবের দ্বারা নির্যাতিতা হয়েছিল তারই অনুসরণে ক্ষেত্রমনির পরিকল্পনা ।


১৪। বেগুনবেড়ের কুঠিতে তোরাপের সঙ্গে আর কজন রাইয়তের সাক্ষাৎ পাওয়া যায় ? তোদের কুঠিতে আটকে রাখা হয়েছিল কেন ?


উত্তর:- বেগুনবেড়ের কুঠিতে তোরাপের সঙ্গে আরো চারজন রাইয়ত ছিল । তাদের আটকে রাখা হয়েছিল গোলক বসুর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার জন্য ।


১৫। " দেওয়ানজী মশাই এই ঘরডার মধ্যি ভূত আছে ।" ভুতটা আসলে কে ? 


উত্তর:- " এই ঘরডার মধ্যি ভূত আছে " ভুতটা আসলে " মজুমদার " নামে কোনো এক ব্যাক্তি যাকে গোপনে আটকে রাখা হয়েছে ।


১৬। ছোট সাহেবের রক্ষিতাদের নাম কি ?


উত্তর:- ছোট সাহেবের দুজন রক্ষিতা হল পদী ময়রানী ও কলি বুনো ।


১৭। " শ্যামচাঁদ " ও " রামকান্ত " কী ?



উত্তর:- বড়ো সাহেব উডের চাবুকের নাম " শ্যামচাঁদ " আর ছোট সাহেব রোগের চাবুকের নাম  " রামকান্ত " । আসলে দুটোই এক বিশেষ ধরনের চাবুক যাঁর উদ্ভাবন করেন মল্লাহাটির কুখ্যাত কুঠীয়াল লারমুর সাহেব ।


১৮। বড়ো সাহেব উডের অত্যাচারের কথা কে খবরের কাগজে লিখত ? তাঁর পেশা ছিল কি ?


উত্তর:- বড়ো সাহেব উডের অত্যাচারের কথা খবরের কাগজে লিখে দিতেন নীলকন্ঠবাবু । তিনি পেশায় উকিল ছিলেন ।


১৯। মোকদ্দমার জন্য নবীনের কত টাকার প্রয়োজন হয়েছিল ? সৈরন্ধী কীভাবে সেই টাকা জোগাড়ের পরামর্শ দিয়েছিল ?


উত্তর:- মোকদ্দমার জন্য নবীন মাধবের পাঁচশো টাকার প্রয়োজন হয়েছিল । সৈরন্ধী নিজের আর ছোটবউয়ের গহনা পোদ্দারের কাছে বন্ধক রেখে টাকা সংগ্রহের পরামর্শ দিয়েছিল ।


২০। নবীন মাধব স্ত্রীকে কোন কোন বিশেষণে সম্বোধন করেছেন ? নাটকের পক্ষে তা যথার্থ হয়েছে কী ?


উত্তর:- নবীন মাধব স্ত্রীকে প্রেয়সী , বিধুমুখী , প্রণয়িনী , শশিমুখী এই সব বিশেষণে সম্বোধন করেছেন । যা নাট্যধর্ম ক্ষুন্ন করেছে ।


২১। নবীন মাধব তাঁর সুদিনের সম্পদের কী তালিকা দিয়েছেন ?


উত্তর:- নবীন মাধব তাঁর সুসময়ের সম্পদের উল্লেখ করে বলেছেন " আমার ৭ শত টাকা মুনাফার গাঁতি , আমার ১৫ গোলা ধান , ১৬ বিঘার বাগান , আমার ২০ খান লাঙল , ৫০ জন মাইন্দার , পূজার সময় কি সমারোহ ।"


২২। নবীন মাধব কে ৩০০ টাকা দেবার কথা কে পত্র দিয়ে জানিয়েছিলেন ?


উত্তর:- নবীন মাধব কে ৩০০ টাকা দেবার কথা পত্র দিয়ে জানিয়েছিলেন গোকুল কৃষ্ণ পালিত ।


২৩। ক্ষেত্রমনি কীভাবে রোগ সাহেবের কামরায় গিয়েছিল ?


উত্তর:- পদী ময়রানীর সঙ্গে চারজন লেঠেল এসে দীঘিতে যাওয়ার পথ থেকে ক্ষেত্রমনিকে ধরে কামরায় নিয়ে গিয়েছিল ।


২৪। তোরাপ ইন্দ্রাবাদ গিয়েছিল কেন ?


উত্তর:- গোলক বসুর বিরুদ্ধে কুঠিয়ালরা যে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছিল তাতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য  তোরাপকে অন্য কয়েকজন রায়তের সাথে ইন্দ্রাবাদ নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ।


২৫। ক্ষেত্রমনিকে উদ্ধার করবার সময় কে নবীন মাধব কে সাহায্য করেছিল ?


উত্তর:- ক্ষেত্রমনিকে উদ্ধার করবার সময় তোরাপ নবীন মাধব কে সাহায্য করেছিল ।


২৬। গোলক বসু হাজত থেকে মুক্তি পাবার জন্য বিচারপতির কাছে নীলকুঠিকে কী দেবার সংকল্প করেছিলেন ?


উত্তর:- গোলক বসু মুক্তি পাবার জন্য বলেছিলেন " আমাকে খালাস দেন আমি প্রতিজ্ঞা করিতেছি যদিও হাল গরু অভাবে নীল করিতে না পারি বৎসর ২ সাহেব কে এক শত টাকা নীলের বদলে দিব ।


২৭। গোলক বসু কে ফৌজদারী মামলা থেকে মুক্ত করতে কাকে মোক্তারনামা দেওয়া হয় ?


উত্তর:- গোলক বসুর মামলায় ওকালত নামা দেওয়া হয় প্রাণধন মল্লিক কে ।


২৮। কোন ম্যাজিস্ট্রেট নিরপেক্ষ ছিলেন ? রায়তদের অভিযোগ শুনতেন ?


উত্তর:- অমরনগরের ম্যাজিস্ট্রেট নিরপেক্ষ ছিলেন । তিনি রায়তদের অভাব অভিযোগ শুনতেন ।


২৯। সাহেবদের হাত থেকে নবীন মাধব কে উদ্ধার করে আনবার সময় তোরাপ বড়ো সাহেবকে কী শাস্তি দিয়েছে ?


উত্তর:- নবীন মাধব কে উদ্ধারের সময় তোরাপ বড়ো সাহেবের নাক কামড়ে কেটে এনেছিল ।


৩০। নাকের খোঁজে সাহেবরা হামলা করতে পারে আশঙ্কায় তোরাপ কোথায় লুকাতে গিয়েছিল ?


উত্তর:- সাহেবদের হামলার ভয়ে তোরাপ ধানের গোলার মধ্যে লুকাতে গিয়েছিল ।


৩১। নীলদর্পণ নাটকে মোট কটি চিঠির কথা আছে ? চিঠি গুলির লেখকদের নাম কি ?


উত্তর:- নীলদর্পণ নাটকে তিনটি চিঠির কথা আছে । প্রথমটি বিন্দুমাধব লেখেন সরলতাকে , দ্বিতীয়টি শ্রী ঘনশ্যাম মুখোপাধ্যায় লেখেন নবীন মাধব কে  , তৃতীয়টি শ্রীগোকুলকৃষ্ণ পালিত লেখেন নবীন মাধব কে ।


৩২। হিন্দু পেট্রিয়োট পত্রিকার সম্পাদকের নাম কী ?


উত্তর:- হিন্দু পেট্রিয়োট পত্রিকার সম্পাদকের নাম হরিশ মুখার্জী ।



1 টি মন্তব্য: