রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

বাবা উপনন্দ তোমার কল্যাণে তাঁর আর এক বীনা শুনে নিলুম এর সুর কোনোদিন ভুলব না বক্তা কে তাঁর বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে কথাটির তাৎপর্য কী প্রশ্নোত্তর

 

বাংলা অনার্স সাম্মানিক বাবা উপনন্দ তোমার কল্যাণে তাঁর আর এক বীনা শুনে নিলুম এর সুর কোনোদিন ভুলব না বক্তা কে তাঁর বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে কথাটির তাৎপর্য কী প্রশ্নোত্তর baba uponondo tomar kollane tar ar ak bina shune nilum ar sur konodin vulob na bokta ke tar bolte kake bojhano hoyeche kothatir tatporjo ki



প্রশ্ন : " বাবা উপনন্দ তোমার কল্যাণে তাঁর আর এক বীনা শুনে নিলুম এর সুর কোনোদিন ভুলব না  .."  বক্তা কে ? " তাঁর " বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে ? কথাটির তাৎপর্য কী ?




উত্তর:- " বাবা উপনন্দ তোমার কল্যাণে তাঁর আর এক বির্ণা শুনে নিলুম .." কথাটির বক্তা হলেন সন্ন্যাসী বেশধারী মহারাজ বিজয়াদিত্য । তিনি " তাঁর " বলতে বিনাচার্য সুরসেনকে বুঝিয়েছেন । 




[       ] মহারাজ বিজয়াদিত্য সুরসেনের সুরের ভক্ত ছিলেন । তাঁর বীণার সুর শুনতে পারলে তিনি খুশি হতেন । কিন্তু সুরসেন মারা যাওয়ায় সে সম্ভবনা আর নেই । পরলোকগত সুরসেনের ঋণ শোধ করবার জন্য উপনন্দ নামের বালক খেলা ছেড়ে পুঁথি লিখে উপার্জন করছে শুনে তিনি মুগ্ধ হন । সুরসেনের সঙ্গে উপনন্দের সম্পর্ক জানতে চাইলে উপনন্দ বলেছে সে যখন অনাথ হয়ে এই নগরে আসে ঝড় বৃষ্টিতে মন্দিরে আশ্রয় নেয় তখন পুরোহিত নিচ জাত মনে করে তাকে তাড়িয়ে দেন । সেখানে দেবতাকে বীণা বাজিয়ে শোনাচ্ছিলেন বিনাচার্য সুরসেন । তিনি অসহায় অনাথ শিশু উপনন্দকে নিজের কাছে নিয়ে আসেন । দরিদ্র হলেও উপনন্দ কে তিনি আশ্রয় দেন তাকে নিজের পুত্রের মতো মনে করেন এবং শিক্ষা দানের ব্যাবস্থা করেন । উপার্জনের জন্য চিত্র বিচিত্র করে পুঁথি নকল করার কাজ শিখিয়েছেন । সেই শিক্ষার সহায়তায় আজ উপনন্দ উপার্জন করে পিতার তুল্য সুরসেনের ঋণ শোধ করছে ।



[      ] এই বৃত্তান্ত শুনে মুগ্ধ হয়েছেন মহারাজ । অনাথ শিশু কে বুকে জড়িয়ে নেওয়ার মানবতার এমন সুর তিনি আগে শোনেন নি । অজ্ঞাত কুলশিল বালককে যে শিক্ষা তিনি দিয়েছেন তারই প্রকাশ দেখেছেন উপনন্দের আচরণে । তাই মুগ্ধ মহারাজ উদ্ধৃত উক্তিটি করেছেন ।



শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১

মা হবার দুঃখ টুকু পেলুম কিন্তু মা হবার মুক্তি টুকু পেলুম না ব্যাখ্যা করো প্রশ্নোত্তর

 

বাংলা অনার্স সাম্মানিক মা হবার দুঃখ টুকু পেলুম কিন্তু মা হবার মুক্তি টুকু পেলুম না ব্যাখ্যা করো প্রশ্নোত্তর Bengali honours ma hobar dukho tuku pelum kintu ma hobar mukti tuku pelum na questions answer

                       প্রশ্নের মান : ৫/৬



প্রশ্ন: " মা হবার দুঃখ টুকু পেলুম কিন্তু মা হবার মুক্তি টুকু পেলুম না ।" ব্যাখ্যা করো ।



উত্তর:- " স্ত্রীর পত্র " গল্পের নায়িকা মৃণাল স্বামীকে লেখা পত্রের এক জায়গায় উদ্ধৃত উক্তিটি করেছে । সংসারে মৃণাল কারো ভালোবাসা পায়নি । তাঁর কোনো সাধ আহ্লাদ কখনো পূরণ হয়নি । এ রকম মেয়েরা সন্তানকে আশ্রয় করে বাঁচার চেষ্টা করতে পারে । মৃনালের সন্তানও ছিল না । তার একটি মেয়ে জন্মেছিল কিন্তু বাঁচেনি । আতুর ঘরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্যাধি গ্রস্থ হয়ে সে মারা গিয়েছে । মৃণালেরও অবস্থা খারাপ হয়েছিল । তবে কোনো ক্রমে সে বেঁচে গিয়েছে ।



[        ] সন্তানের জন্ম দিয়েও মৃণাল মায়ের মর্যাদা লাভ করতে পারেনি । সন্তানকে দশমাস গর্ভে ধারণ করবার যন্ত্রণা , তাকে প্রসব করবার যন্ত্রণা সবই মৃণাল ভোগ করেছে । কিন্তু " মা " ডাক শুনবার শুখ টুকু সে লাভ করেনি । সন্তানের " মা " ডাক শোনার মধ্যে দিয়ে , তার দেহ মনের বিকাশ প্রত্যক্ষ করবার মধ্যে দিয়ে নারী জীবনের যে সার্থকতা , যে মুক্তি , , যে চরিতাথতা তা মৃণালের ভাগ্যে জোটেনি বলেই আক্ষেপ করে সে উদ্ধৃত কথাটি লিখেছেন ।


শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

একটা মন্দিরের অধিকারিণী হওয়া সত্বেও জয়কালী কী কী কারণে সঙ্গীহীন , একাকিনী ছিল প্রশ্নোত্তর

 

বাংলা অনার্স সাম্মানিক একটা মন্দিরের অধিকারিণী হওয়া সত্বেও জয়কালী কী কী কারণে সঙ্গীহীন , একাকিনী ছিল প্রশ্নোত্তর Bengali honours akta mondirer odhikarini hoya sotteo joykali ki ki karone songihin akakini chilo questions answer


                       প্রশ্নের মান : ৫/৬




প্রশ্ন: একটা মন্দিরের অধিকারিণী হওয়া সত্বেও জয়কালী কী কী কারণে সঙ্গীহীন , একাকিনী ছিল ?



উত্তর:- স্বামীর অবর্তমানে জয়কালী রাধানাথ জিউর মন্দিরের অধিকারিণী হয়েছিল । সেই সূত্রে তার অনেকের সান্নিধ্যই আসবার কথা হয়তো এসেছেও । কিন্তু কারও প্রিয়জন হয়ে উঠতে সে পারেনি । আর সেটা পারেনি তাঁর চেহারা এবং স্বভাবের কারণে । সে দীর্ঘকার দৃঢ শরীর তীক্ষ্ণ নাসা । পুরুষালী ভাব ভঙ্গি । তার চেহারাই শুধু কাঠ কাঠ নয় আচরণও কাঠ কাঠ । অল্প কথা বলে এমনকি কথা না বলেও সে অন্যেদের অবাঞ্ছিত কথাবার্তা বন্ধ করতে পারত । কারো অবাস্তব কথা , পরচর্চা , পরনিন্দা , গোপন আলোচনা এসব জয়কালী সহ্য করতে পারত না । অথচ এসব অনেক স্ত্রীলোকেরই স্বাভাবিকই বৈশিষ্ট্য । তুচ্ছ কারণে তিরস্কৃত বা শাসিত হবার ভয়েই মানুষ তার সান্নিধ্য যেতে চাইত না ।



[        ] মন্দিরের পুরোহিত , কর্মচারী , দর্শক সকলেই জয়কালীর শাসনে তটস্থ থাকত । সামান্য বেনিয়ম , অনাচারও জয়কালী সহ্য করতে পারত না । এ জন্যই গম্ভীর স্বভাব গোমড়া মুখো , স্বল্প ভাষী , নিরস মানুষটির কেউ কাছ ঘেষত না । নিজের সহোদরার সঙ্গেও তার সম্পর্ক মধুর ছিল না । তাই সঙ্গীহীন , একাকিনী হয়েই তাকে থাকতে হত ।


বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

সেই মুহূর্তেই সে জননীর পদ অধিকার করিয়া বসিল । " কে কোন মুহূর্তে জননীর পদ অধিকার করে বসল ? কেন প্রশ্নোত্তর

 

বাংলা অনার্স সাম্মানিক সেই মুহূর্তেই সে জননীর পদ অধিকার করিয়া বসিল কে কোন মুহূর্তে জননীর পদ অধিকার করে বসল কেন প্রশ্নোত্তর Bengali honours sei muhurtei se jononir pod odhikar koriya bosilo ke kon muhurte jononir pod odhikar kore bosol keno


                       প্রশ্নের মান : ৫/৬




প্রশ্ন : " সেই মুহূর্তেই সে জননীর পদ অধিকার করিয়া বসিল । " কে কোন মুহূর্তে জননীর পদ অধিকার করে বসল ? কেন ?




উত্তর:- " সেই মুহূর্তে সে জননীর পদ ..." এ খানে " পোস্টমাস্টার " গল্পের রতনের কথা বলা হয়েছে । যে সময় পোস্টমাস্টারের কাছে রতনের পড়তে বসবার কথা , সেই সময় পোস্টমাস্টার খাটিয়ায় শুয়ে আছেন দেখে রতন ফিরে আসছিল । পোস্টমাস্টার তাকে বলেন " শরীর টা ভালো বোধ হচ্ছে না । দেখতো আমার  কপালে হাত দিয়ে । " রতন কপালে হাত দিয়েই বুঝতে পারে দাদাবাবুর সেবায় ব্রতী হয়ে যায় ।




[      ] রতন মেয়ে । মাতৃ সুলভ স্নেহ মমতার হৃদয়টি তাঁর ছিল । তাছাড়া এত দিন দাদাবাবুর সান্নিধ্য যেটুকু স্নেহ ভালোবাসা পেয়ে এসেছে তাতে দাদাবাবুকে নিজের ভরসাস্থল মনে করেছে । সেই জন্যই নিবান্ধব দাদাবাবু কে সুস্থ করে তোলাটা তাঁর নিজের প্রয়োজনে ও জরুরি মনে হয়েছে । দায়িত্ব শীল আপনজনের মতোই বৈদ্য ডেকে নিয়ে এসেছে , সময় মতো ওষুধ খাইয়েছে । আর সেবার ফাঁকে ফাঁকে বারবার জিজ্ঞাসা করেছে  " হ্যাঁগো দাদাবাবু একটু খানি ভালোবোধ হচ্ছে কি ।"



বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আমি তখন একলা বসিয়া দুইজন হইতাম ।" একথা কে বলেছে ? এমন বলবার কারণ কী আলোচনা করো প্রশ্নোত্তর

 

বাংলা অনার্স সাম্মানিক আমি তখন একলা বসিয়া দুইজন হইতাম একথা কে বলেছে এমন বলবার কারণ কী আলোচনা করো প্রশ্নোত্তর Bengali honours ami tokhon akla bosiya duijon hoitam akotha ke boleche amon bolbar karon ki alochona koro


                       প্রশ্নের মান : ৫/৬



প্রশ্ন: " আমি তখন একলা বসিয়া দুইজন হইতাম ।" একথা কে বলেছে ? এমন বলবার কারণ কী আলোচনা করো ।



উত্তর:- " আমি তখন একলা বসিয়া দুজনে হইতাম ।" কথাটি " কঙ্কাল " গল্পের অশরীরী নায়িকার । এই নায়িকা নিজের রুপ সৌন্দর্য সম্পর্কে বর্ননা করতে গিয়ে একথা বলেছে । পঁচিশ ছাব্বিশ বছর বয়সে বিধবা যুবতী মেয়েটির সৌন্দর্য এতটাই ফুটে উঠেছিল যে নিজের সৌন্দর্য দেখে নিজেই মুগ্ধ হয়ে উঠত । বাস্তবের সৌন্দর্যের সঙ্গে কল্পনা মিশে তা আরও। বৃদ্ধি পেত । মেয়েটি প্রেমে পড়েছিল শশিশেখর ডাক্তারের । তাই ডাক্তার কে মুগ্ধ করার জন্যই সে সাজত । নিজের সৌন্দর্য কে বাড়িয়ে তুলতে যত্নবতি হত । এবং দেখবার মানুষ শশী ডাক্তারের অভাবে নিজেই কল্পনায় শশী ডাক্তার হয়ে উঠত এবং দর্পণে নিজের রুপ দেখে শশী ডাক্তারের মুগ্ধতা টুকু নিজেই উপভোগ করত । কোনো প্রেমাকাঙ্খিনি মেয়ের সৌন্দর্য উপস্থাপনার এমন কৌশল রবীন্দ্রনাথ আর কোথাও ব্যবহার করেননি । এ যেন প্রিয়জনের চোখে নিজের সৌন্দর্য আস্বাদন করার এক অভূতপূর্ব সুখ ।


মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

সোনামনির দাদা শুনিয়া সর্বশরীর জ্বলিয়া যায় সোনামণি কে কার সর্বশরীর জ্বলে যায় কারণ কী আলোচনা করো প্রশ্নোত্তর

 

বাংলা অনার্স সাম্মানিক সোনামনির দাদা শুনিয়া সর্বশরীর জ্বলিয়া যায় সোনামণি কে কার সর্বশরীর জ্বলে যায় কারণ কী আলোচনা করো প্রশ্নোত্তর sonamonir dada shuniya sorboshorir joliya jai sonamoni ke kar sorboshorir jole jai karon ki alochona koro


                       প্রশ্নের মান : ৫/৬



প্রশ্ন: " সোনামনির দাদা ! শুনিয়া সর্বশরীর জ্বলিয়া যায় ।" সোনামণি কে ? কার সর্বশরীর জ্বলে যায় ? কারণ কী ? আলোচনা করো ।




উত্তর:- " সোনামনির দাদা ....", সোনামণি হল কাঁঠালিয়া গ্রামের জমিদার মটিলালবাবুর এক প্রতিবেশীনির বিধবা কন্যা যে জমিদার কন্যা চারুলতার সমবয়সী এবং সখী ।


[      ] চারুলতারই সর্বশরীর জ্বলে যায় সোনামনির আদিখ্যেতা দেখে ।



[      ] তারাপদ কে আবিষ্কার করে কাঁঠালিয়া গ্রামে নিয়ে এসেছে চারুর বাবা মা । তাই তারাপদ চারুদের সম্পত্তি । তারাপদ কে চিনবে জানবে ব্যাবহার করবে এমনকি ভালোবাসবে তিরষ্কার করবে চারুরাই । তারাপদ যদি গর্বের বিষয় হয় তবে তা চারুদেরই । তাই চারুর সই সোনামণি কদিন পরে চারুর সঙ্গে দেখা করতে এলে চারু তাকে তারাপদর সম্পর্কে বলতে থাকে । তখন সোনামণি জানায় তারাপদদাদার সম্পর্কে সে জানে । এতেই ঈর্ষায় চারুলতার সর্বশরীর জ্বলে যায় । 


[      ] তারাপদ কাঁঠালিয়া পৌঁছাবার পরই পুরো গ্রামটা ঘুরে নিয়েছে । যাদের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছে , তাদের দাদা , দিদি , মাসি প্রভৃতি সম্বোধন করে আপন করে নিয়েছে । এ কদিনে সোনামণিদের বাড়িতেও সে কয়েকবার গিয়েছে । পরিচয় যথেষ্টই হয়ে গেছে । সোনামণি। তাকে দাদা বলে সম্বোধনও করে থাকে । এসব জেনে চারুলতার যথেষ্ট রাগ হয় । নতুন জিনিসটা দেখাবার আগেই যদি অন্য কেউ ব্যবহার করতে শুরু করে , তাহলে জিনিসটার মালিকের তো রাগ হতেই পারে । চারুলতা চেয়েছিল , তারাপদর সম্পর্কে সোনামণি কে একটু একটু করে জানাবে আর কৌতুক উপভোগ করবে । কিন্তু তাও প্রথমেই বিপত্তি ঘটায় চারুলতা অসন্তুষ্ট হয় । তাঁর সর্বশরীর জ্বলে যায় ।



সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ঠিক সময়ে ঠিক কাজ করিতে কাহারো মনে পড়ে না তাহার পরে বেঠিক সময়ে বেঠিক বাসনা লইয়া অস্থির হইয়া মরে উক্তিটি কোন রচনায় আছে এর তাৎপর্য বুঝিয়ে বলো প্রশ্নোত্তর

 

বাংলা অনার্স সাম্মানিক ঠিক সময়ে ঠিক কাজ করিতে কাহারো মনে পড়ে না তাহার পরে বেঠিক সময়ে বেঠিক বাসনা লইয়া অস্থির হইয়া মরে উক্তিটি কোন রচনায় আছে এর তাৎপর্য বুঝিয়ে বলো প্রশ্নোত্তর Bengali honours thik somoye kaj korite kaharo mone pore na tahar pore bethik somoye bethik basona loiya osthir hoiya more uktiti kon rochonay ache ar tatporjo bujhiye bolo


                       প্রশ্নের মান : ৫/৬



প্রশ্ন: " ঠিক সময়ে ঠিক কাজ করিতে কাহারো মনে পড়ে না তাহার পরে বেঠিক সময়ে বেঠিক বাসনা লইয়া অস্থির হইয়া মরে ।" উক্তিটি কোন রচনায় আছে ? এর তাৎপর্য বুঝিয়ে বলো 



উত্তর:- " ঠিক সময়ে ঠিক কাজ করিতে কাহারো মনে পড়ে না ...." উক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের " একরাত্রি " গল্পে আছে ।



[      ] গল্প কথক নিজের কৃকর্মের জন্য আক্ষেপ করে এই তত্ত্ব কথাটি বলেছেন । গল্প কথকের বাল্য প্রণয়িনী সুরবালা । অভিভাবকেরা উদ্যোগী হয়ে সুরবালার সঙ্গে গল্প গল্প কথকের বিবাহ দিতে চান । কিন্তু গল্প কথক তখন কলকাতায় পড়াশোনা করতে গেছেন । পার্টির নেতাদের গরম বক্তৃতার প্রভাবে তিনি তখন মাটসিনি গারিবালডি হবার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন । আজীবন বিবাহ না করে দেশের কাজ করে মরবার সংকল্প করেছেন । বিবাহের মতো তুচ্ছ কর্মে মন দিতে চাননি ।



[       ] পিতার মৃত্যুর পর সংসারের জোয়াল ঘাড়ে পড়তেই অর্থনৈতিক চাপে মাটসিনী গারিবালডি হবার স্বপ্ন ঘুচে যায় । তখন সুরবালার মতো সাংসারিক মেয়ের প্রয়োজনটাই বড়ো হয়ে ওঠে । একটা সামান্য স্কুলের সেকেন্ড মাস্টার হয়েই তাঁকে সন্তুষ্ট থাকতে হয় । যাকে একদিন অনায়াসে পেতে পারতেন সে আজ ধরা ছোঁয়ার বাইরে । যে সুযোগটা আপনা থেকে এসেছিল ভ্রান্তি বশত তাকে গ্রহণ করেননি । আজ শত চেষ্টা করলেও আর সেই সুযোগ ফিরে আসবে না গল্প কথকের এখনকার মনোবঞ্চনাও আর পূরণ হবার নয় । সময় মতো সঠিক কাজটা করতে না পারার জন্য আমরা কত কাম্য বস্তুকে হারাতে বাধ্য হই । তখন আফশোস করা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে নাা



রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ল্যাবরেটরী গল্পে ল্যাবরেটরী কার সৃষ্টি কীভাবে তাঁর চরিত্র বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো প্রশ্নোত্তর

 

বাংলা অনার্স সাম্মানিক ল্যাবরেটরী গল্পে ল্যাবরেটরী কার সৃষ্টি কীভাবে তাঁর চরিত্র বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো প্রশ্নোত্তর Bengali honours laboratory golpe laboratory kar srishti kivabe tar choritro boishishto ullekh koro


                       প্রশ্নের মান : ৫/৬




প্রশ্ন: " ল্যাবরেটরী " গল্পে ল্যাবরেটরী কার সৃষ্টি ? কীভাবে ? তাঁর চরিত্র বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো ।



উত্তর:- " ল্যাবরেটরী " গল্পে ল্যাবরেটরী সৃষ্টি করেছিলেন নন্দকিশোর । তিনি ছিলেন ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট । লন্ডন ইউনিভার্সিটি থেকে পাস করে তিনি ইঞ্জিনিয়ার হন । রেলওয়ে কোম্পানির দুটো বড়ো ব্রিজ তৈরীর কাজের দায়িত্ব পান । তাতে যথেষ্ট টাকা তাঁর হাতে আসে । তাঁর গুন ছিল , কিন্তু সেই হারে খাতির ছিল না । বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রতি আগ্রহ গেলো বেড়ে । জার্মান , আমেরিকা থেকে দামি দামি যন্ত্র কিনে এনে একটা ল্যাবরেটরী গড়ে তুললেন । চাকরী ছেড়ে দিয়ে রেল কোম্পানির লোহা লক্কড় কিনে একটা কারখানাও খুলে বসলেন । যুদ্ধের বাজারে লোহার জিনিসের চাহিদা ও দাম বাড়ায় ভালো মুনাফাও হল নন্দকিশোরের । তাই এশিয়ার বিখ্যাত ল্যাবরেটরী করে তুলতে চাইলেন নিজের  ল্যাবরেটরী কে । বিজ্ঞানের গবেষণা আর এই ল্যাবরেটরী হয়ে উঠল তার প্রধান নেশা ।



[      ] পাঞ্জাবে থাকা কালে পাঞ্জাবী যুবতী সোহিনী কে খানিকটা গড়ে পিঠে নিয়ে তাকে বিবাহ করেন । স্ত্রীকে নিয়ে সুখে ঘর সংসার করার আগ্রহ তাঁর ছিল না , ছিল গবেষণা কর্মে সার্থক হয়ে ওঠা । এটা স্ত্রী সোহিনী কে মুগ্ধ ও অনুপ্রাণিত করেছিল । তাই , গবেষণার সময় দুর্ঘটনায় নন্দকিশোরের মৃত্যু ঘটলে সোহিনী স্বামীর ল্যাবরেটরী ও সম্পদ যথার্থ কাজে লাগাবার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠে ।



শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

শশীভূষণ প্রথম কোন মামলায় উকিল হতে চায় ? সেই মামলার পরিণতি কি হয় ? আলোচনা করো প্রশ্নোত্তর

 

বাংলা অনার্স সাম্মানিক শশীভূষণ প্রথম কোন মামলায় উকিল হতে চায় ? সেই মামলার পরিণতি কি হয় ? আলোচনা করো প্রশ্নোত্তর bengali honours soshivushon prothom kon mamlay ukil hote chai sei mamlar porinoti ki hoi alochona koro questions answer


                       প্রশ্নের মান : ৫/৬




প্রশ্ন: শশীভূষণ প্রথম কোন মামলায় উকিল হতে চায় ? সেই মামলার পরিণতি কি হয় ? আলোচনা করো ।



উত্তর:- নায়েব হরকুমার তুচ্ছ কারণে জায়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে তাঁর তাম্বুর বাইরে প্রকাশ্য কান ধরে দৌড় করেছিল । একজন ব্রহ্মন হয়ে এক মেথরের অভি সন্ধিতে এই অপমান হরকুমারের কাছে অসহনীয় হয়ে ওঠে । শশীভূষণ প্রতিবেশীর উপড় সাহেবের এই অত্যাচারের প্রতিবাদ হওয়া উচিত মনে করেই তাকে মানহানির মামলা করার পরামর্শ দেয় এবং এই মামলাতেই সে প্রথম উকিলের দায়িত্ব নিতে চায় ।


[      ] দায়িত্ব নিয়ে মামলা অগ্রসর হয় না । জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে মামলা কি না ম্যাজিষ্ট্রেট শশীকে প্রাইভেট কক্ষে ডেকে মামলা গোপনে মিটিয়ে নেবার পরামর্শ দেন । শশী বলে " তিনি প্রকাশ্য ভাবে অপমানিত হইয়াছেন গোপনে ইহার মিটমাট হইবে কী করিয়া ? তখন ক্ষমতাবান মানুষেরা গোপনে পরামর্শ করেই মক্কেল হরকুমার কে বশ করলেন । হরকুমার সাহেবের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিল না । বরং শশীই যে নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য নিজে খরচে এই মামলা করেছে এটা জানিয়ে দিল । কাজেই মামলা ডিসমিস হল শশীভূষনের হার হল । এদেশের মানুষের প্রতি সাহেবদের অত্যাচারের প্রতিবাদ করতে গিয়ে চরমভাবে ব্যার্থ হল । অপমানিত হল ।



শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

জয়কালীর কটি ভাইপো ? তাদের সঙ্গে জয়কালীর সম্পর্ক কেমন ? আলোচনা করো প্রশ্নোত্তর

 

বাংলা অনার্স সাম্মানিক জয়কালীর কটি ভাইপো ? তাদের সঙ্গে জয়কালীর সম্পর্ক কেমন ? আলোচনা করো প্রশ্নোত্তর Bengali honours joykalir koti vaipo tader songe joykalir somporko kemon alochona koro questions answer


                       প্রশ্নের মান : ৫/৬


প্রশ্ন: জয়কালীর কটি ভাইপো ? তাদের সঙ্গে জয়কালীর সম্পর্ক কেমন ? আলোচনা করো ।



উত্তর:- জয়কালীর দুইজন ভাইপো । সে নিজে নি:সন্তান । তাই মাতা পিতৃহীন ভাতুষ্পুত্রদ্বয় নিজের কাছে রাখে । বড়ো টির বয়স ১৮ । একটু শান্তশিষ্ট । বিবাহযোগ্য । কিন্তু জয়কালী তাঁর বিবাহ দিতে উৎসাহী নয় । কাজকর্ম না করে ভাইপো বসে বসে বউয়ের আদর খাক , এটা সে চায় না । এতে প্রতিবেশীদের হৃদয় বির্দিন হলেও জয়কালী নিরুদ্বেগ ।



[       ] কনিষ্ঠ ভাইপো টি দুরন্ত , অবাধ্য , দুঃখ সাহসী , নির্ভীক । পিসিমার কড়া শাসনও তাকে সংযত করতে পারে না । যেখানে বিপদের গন্ধ , সেখানেই তার আকর্ষণ । তাই মন্দিরের মাধবী বিতান থেকে ফুল তুলে আনা কঠিন কাজ , বিপজ্জনক জেনেই সে বাজি ধরে , সে পারবে । এই মাধবী বিতানে ফুল তুলতে গিয়েই সে গাছ শুদ্ধ পড়ে গিয়ে পিসিমার হাতে ধরা পড়ে যায় এবং শাস্তি পায় । চপেটাঘাত তো প্রায়ই , বৈকালিক আহারও বন্ধ হয় । কিন্তু নলিন ভাইপো এতে দমে না । বন্দিদশা থেকে উদ্ধার পেতে সে পিসিমার শাস্তি অগ্রাহ্য করে । বোঝা যায় নি:সন্তান জয়কালীর মধ্যে সন্তান বাৎসল্যরআবেগ ছিল না , কর্তব্য বোধটা ছিল । সেই জন্যই তাদের সম্পর্কে মাধুর্য এবং পারস্পরিক নির্ভরতা ছিল না ।